শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে : ভারতীয় হাইকমিশনার

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ১১:৫৩ PM ২৮ বার পড়া হয়েছে
শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে : ভারতীয় হাইকমিশনার
শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরতে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ছবি : সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ভারতে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, বিষয়টি আদালতের সম্পৃক্ততায় একটি সুসংগঠিত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। তাই ফেরত পাঠানোর নির্দিষ্ট সময়সীমা বলা সম্ভব নয়।

Advertisement
Advertisement

শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ‘বে অফ বেঙ্গল কনভার্সেশন ২০২৬’-এর একটি সেশনে প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। 

ত্রিবেদী জানান, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এরই মধ্যে এ বিষয়ে দেশটির অবস্থান একাধিকবার পরিষ্কার করেছেন। ওসমান হাদির হত্যাকারীদের ফেরত দেওয়ার প্রশ্নেও একই ধরনের আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে বলে জানান তিনি।

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে ১২০০ ইউনিট

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে ১২০০ ইউনিট

শেখ হাসিনা কীভাবে ভারতে গেলেন, তা ব্যাখ্যা করে হাইকমিশনার বলেন, তাকে ভারতীয় বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী নিয়ে যায়নি। বাংলাদেশের তৎকালীন পরিস্থিতির কারণে তিনি ভারতে এসেছিলেন। ত্রিবেদীর ভাষায়, ‘একজন প্রতিবেশী হিসেবে তখনকার বাস্তবতাকে গ্রহণ করাই ভারতের দায়িত্ব ছিল।

তিনি আরও বলেন, ওই সময় একটি সামরিক বিমান ভারতে এসেছিল এবং ভারতও এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিল না। তখন শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং পরিস্থিতির বাস্তবতায় ভারতকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল।

Advertisement
Advertisement

বাংলাদেশের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। নিজেদের নিরাপত্তা ও স্বার্থের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের রয়েছে। একইভাবে ভারতেরও নিজেদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষার অধিকার রয়েছে।

দুই দেশের সম্পর্ককে শুধু লেনদেনের দৃষ্টিতে না দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন রয়েছে। মতপার্থক্য থাকলেও তা সমাধানের পথ হিসেবে সংলাপ, আলোচনা ও পারস্পরিক যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর মতে, এই সম্পর্কের ভিত্তি হলো আস্থা।

Advertisement
Advertisement
ট্যাগ:

৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ৩:৪৫ AM ১ বার পড়া হয়েছে
৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদক।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)-সহ দেশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত বিভিন্ন পদমর্যাদার অন্তত ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।\"\"এর মধ্যে অধিকাংশ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে রয়েছে অজামিনযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।চট্টগ্রামের বিভিন্ন আদালতে গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ মামলায় সাক্ষ্য দিতে হাজির না হওয়ায় এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

শনিবার (০৩ অক্টোবর) সিএমপির উপকমিশনার (সদর) দপ্তর থেকে ১৮টি পৃথক স্মারকে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ইউনিটে পাঠানো চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

Advertisement
Advertisement

সিএমপির ডিসি হেডকোয়ার্টার সই করা এসব চিঠিতে সংশ্লিষ্ট ইউনিট প্রধানদের বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন মামলায় চলতি অক্টোবর ও আগামী নভেম্বর মাসের বিভিন্ন তারিখে পুলিশ সদস্যদের সাক্ষ্য দেওয়ার দিন ধার্য রয়েছে। নির্ধারিত তারিখে সকাল ৯টার মধ্যে সাক্ষীদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।\"\"চিঠিতে আরও বলা হয়, আদালত সাক্ষীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও অজামিনযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। নির্ধারিত তারিখে সাক্ষীরা হাজির না হলে এবং এর কারণে সাক্ষীর অভাবে রাষ্ট্রপক্ষের মামলার ফলাফল বিপর্যস্ত হলে এর দায়-দায়িত্ব সাক্ষী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওপর বর্তাবে।\"\"জানা যায়, চট্টগ্রামের বিভিন্ন আদালতে গুরুত্বপূর্ণ মামলায় পুলিশ সাক্ষীদের অনুপস্থিতির কারণে বিপুলসংখ্যক ফৌজদারি মামলার বিচার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে পুলিশ সদস্যরা অনুপস্থিত থাকায় মামলার মেরিটও দুর্বল হয়ে পড়ছে।\"\"এ বিষয়ে সিএমপির উপকমিশনার (প্রসিকিউশন) হাসান ইকবাল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মামলার ধার্য তারিখে পুলিশ সাক্ষীদের আদালতে হাজির করার চেষ্টার কমতি নেই। যেসব পুলিশ সদস্য দেশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত আছেন, তারা আদালতে আসার জন্য ভাতা সুবিধা পান। কিন্তু যেসব পুলিশ সাক্ষী অবসরে গেছেন বা চাকরিচ্যুত হয়েছেন, তারা মামলার ধার্য তারিখে আদালতে আসার ভাতা বা যাতায়াত খরচ পান না।

তিনি আরও বলেন, ‘আবার রিজার্ভ অফিসে পুলিশ সাক্ষীর সমন পাঠানো হলেও অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যের বিপি নম্বর থাকে না।

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: নরসিংদীর লোক ভাড়া করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ২

নরসিংদীর লোক ভাড়া করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ২

এজন্য সাক্ষীর কর্মস্থল খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তবে সিএমপির সমন শাখার গাফিলতি আছে কি না, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।

এর আগে বিচারাধীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় সাক্ষ্য না দেওয়ায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে চট্টগ্রামের বিভিন্ন আদালত তিন শতাধিক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। \"\"এসব পুলিশ সদস্যের বেশির ভাগই একসময় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত ছিলেন। গত বছরের ১৯ নভেম্বর থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত চট্টগ্রাম ও জেলার বাইরে পুলিশের বিভিন্ন জোন ও থানায় এসব চিঠি পাঠানো হয়েছিল।

Advertisement
Advertisement

চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি সিএমপির এক চিঠিতে ৩৩ জন পুলিশ সাক্ষীকে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, আদালত থেকে সংশ্লিষ্ট পুলিশ ইউনিটের রিজার্ভ শাখায় যথাসময়ে সাক্ষীর সমন পাঠানো হলেও সেসব সমন দিনের পর দিন কিংবা মাসের পর মাস পড়ে থাকে।\"\"একাধিক পুলিশ সাক্ষীর অভিযোগ, রিজার্ভ অফিস, থানা ও পুলিশের বিভিন্ন বিভাগের প্রধানেরা গুরুত্ব না দেওয়ায় অনেক সময় সমন নোটিশ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পৌঁছানোর পরও দিনের পর দিন সেখানে পড়ে থাকে। ফলে পুলিশ সাক্ষীরা ধার্য তারিখে আদালতে হাজির না হওয়ায় বিচারাধীন মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
ট্যাগ:

নরসিংদীর লোক ভাড়া করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ২

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ১২:৪৩ AM ০ বার পড়া হয়েছে
নরসিংদীর লোক ভাড়া করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ২
নবীনগর থানা। ছবি : সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুজন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।\"\"গুলিবিদ্ধ দুজন হলেন ফুল মিয়া (৬০) ও উম্মে হানি (২২)। আহত ফুল মিয়া চরলাপাং গ্রামের বাসিন্দা। উম্মে হানি একই গ্রামের সুমন মিয়ার স্ত্রী। দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেওয়া হয়, পরে অবস্থার অবনতি হলে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরলাপাং গ্রামে একটি সড়ক নির্মাণের সময় গ্রামের অহিদ মিয়া বাধা দেন। এ নিয়ে গ্রামবাসীর সঙ্গে তার বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি সড়কটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। সড়কটি নির্মাণের পর গ্রামের মুসলেম মিয়া কৃষকদের জমিতে ভাড়ায় চাষ দেওয়ার জন্য একটি ট্রাক্টর কিনে আনেন। এতে বিরোধ আরও তীব্র হয়। ট্রাক্টর ভাড়া ব্যবসায় একক আধিপত্য নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় মুসলেম মিয়ার ওপর অহিদ মিয়া ও তার ভাই উবায়দুল মিয়া ক্ষুব্ধ হন। এ নিয়ে কয়েক দিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।\"\"পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য, এর জের ধরে শনিবার রাতে অহিদ মিয়া নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মির্জারচর গ্রাম থেকে ভাড়ায় লোকজনকে আনেন। অহিদ মিয়ার নেতৃত্বে ওই লোকজন মুসলেম মিয়ার লোকজনের ওপর হামলা চালায়। পরে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় গুলি চালালে মুসলিম মিয়ার পক্ষের ফুল মিয়া ও উম্মে হানি নামের দুজন গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় আরও আটজন আহত হন।

নবীনগর থানার ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে পূর্ব থেকে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি গ্রামের একটি রাস্তা নিয়ে বিরোধ আরও তীব্র হয়।\"\"ওসি মোরশেদুল আলম আরও বলেন, এক পক্ষ নরসিংদীর রায়পুরার মির্জারচর থেকে লোকজন ভাড়া এনে হামলা চালায়। সংঘর্ষে গোলাগুলির ঘটনায় দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় কোনো অভিযোগ করেনি বলে জানান তিনি।\"\"

Advertisement
Advertisement
ট্যাগ:

প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ১২:২৭ AM ৩ বার পড়া হয়েছে
প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পরিকল্পিত নগরায়নের মাধ্যমে নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তুলতে দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

Advertisement
Advertisement

সোমবার (৪ অক্টোবর) ‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি জানান, সবার জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি নাগরিক সেবা, পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতাকে গুরুত্ব দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার।

 

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে ১০ হাজার শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া : শ্রমমন্ত্রী

বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে ১০ হাজার শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া : শ্রমমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও আবাসনের বাড়তি চাহিদার কারণে বাংলাদেশে পরিকল্পিত নগর উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে অপরিকল্পিত নগরায়ন, যানজট, দূষণ, নাগরিক সেবার ঘাটতি, আবাসন সংকট ও জলবায়ুজনিত অভিবাসন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।\"\"তিনি বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষ ও বস্তিবাসীদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা এবং তাদের দীর্ঘদিনের আবাসনের মালিকানা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ। একই সঙ্গে পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

‘সবার জন্য বাসস্থান’ বলতে শুধু একটি ঘর নয়, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবার সমন্বিত নিশ্চয়তাকে বোঝানো হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement
Advertisement

তিনি বলেন, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের মাধ্যমে পরিকল্পিত ও সুষম নগর উন্নয়নের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি শক্তিশালী করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-১১ অর্জনেও ভূমিকা রাখবে।\"\"পরিকল্পিত ও সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে মানবিক, বাসযোগ্য ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ট্যাগ: