রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে রেকর্ড ১,৩২১ মেগাওয়াট উৎপাদন, যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ১১:২২ PM ৩১ বার পড়া হয়েছে
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে রেকর্ড ১,৩২১ মেগাওয়াট উৎপাদন, যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে
বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

খলিলুর রহমান রানা।।

বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। কেন্দ্রটির দুই ইউনিট মিলিয়ে প্রথমবারের মতো সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, যা সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।  

Advertisement
Advertisement

শনিবার (৩ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম।

 

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, গুলিতে যুবক নিহত

নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, গুলিতে যুবক নিহত

তিনি বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ থাকার পর দুটি ইউনিট থেকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে ৬৫৬ মেগাওয়াট এবং দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। 

Advertisement
Advertisement

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে ২০১০ সালে কেন্দ্রটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশনের (এনটিপিসি) মধ্যে চুক্তি সই হয়। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) গঠন করা হয়।

ট্যাগ:

প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ১২:২৭ AM ১৫ বার পড়া হয়েছে
প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পরিকল্পিত নগরায়নের মাধ্যমে নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তুলতে দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

Advertisement
Advertisement

সোমবার (৪ অক্টোবর) ‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি জানান, সবার জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি নাগরিক সেবা, পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতাকে গুরুত্ব দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার।

 

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে ১০ হাজার শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া : শ্রমমন্ত্রী

বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে ১০ হাজার শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া : শ্রমমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও আবাসনের বাড়তি চাহিদার কারণে বাংলাদেশে পরিকল্পিত নগর উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে অপরিকল্পিত নগরায়ন, যানজট, দূষণ, নাগরিক সেবার ঘাটতি, আবাসন সংকট ও জলবায়ুজনিত অভিবাসন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।\"\"তিনি বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষ ও বস্তিবাসীদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা এবং তাদের দীর্ঘদিনের আবাসনের মালিকানা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ। একই সঙ্গে পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

‘সবার জন্য বাসস্থান’ বলতে শুধু একটি ঘর নয়, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবার সমন্বিত নিশ্চয়তাকে বোঝানো হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement
Advertisement

তিনি বলেন, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের মাধ্যমে পরিকল্পিত ও সুষম নগর উন্নয়নের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি শক্তিশালী করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-১১ অর্জনেও ভূমিকা রাখবে।\"\"পরিকল্পিত ও সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে মানবিক, বাসযোগ্য ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ট্যাগ:

বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে ১০ হাজার শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া : শ্রমমন্ত্রী

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ১১:১৫ PM ২৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে ১০ হাজার শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া : শ্রমমন্ত্রী
শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। সংগৃহীত ছবি
Advertisement
Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে আবারও কর্মী পাঠানোর দুয়ার খুলতে যাচ্ছে। প্রথম ধাপে কোনো খরচ ছাড়াই বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মী নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়া। রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

Advertisement
Advertisement

মন্ত্রী জানান, শ্রমিক পাঠানোর আগে মালয়েশিয়ার চাহিদা অনুযায়ী তাদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা নিশ্চিত করা হবে। এরপর দেশটির নিয়োগদাতারা বাংলাদেশে এসে নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী শ্রমিক বাছাই করবেন। নির্বাচিত কর্মীদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বোয়েসেল এবং সরকার অনুমোদিত অন্যান্য রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে।


তিনি বলেন, দুই দেশের আলোচনার ভিত্তিতে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হয়রানি বন্ধে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

Advertisement
Advertisement

শ্রমমন্ত্রী বলেন, শুধু শ্রমিক পাঠালেই হবে না, মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতাদের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে হবে। প্রশিক্ষণ ছাড়া শ্রমিক পাঠানো হলে তারা দেশটিতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হতে পারেন। তাই আগে শ্রমিকের চাহিদা নির্ধারণ করে সে অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: নরসিংদীর সাংবাদিকতার একসময়ের প্রাণভোমরা রানা আজ শয্যাশায়ী: ১২ বছরেও মেলেনি কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদান!

নরসিংদীর সাংবাদিকতার একসময়ের প্রাণভোমরা রানা আজ শয্যাশায়ী: ১২ বছরেও মেলেনি কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদান!

তিনি বলেন, ‘আমরা ডিমান্ড অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দিতে চাই। যারা ওই দেশের শ্রমিক নেবে, তারা এখানে এসে তাদের চাহিদা অনুযায়ী চয়েস করবেন, তারপরে আমরা যাব।’

Advertisement
Advertisement

তবে শ্রমিক পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াগুলো চূড়ান্ত করতে হবে। মন্ত্রী জানান, শ্রমিকদের মেডিকেল পরীক্ষা-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া এখনো অনুমোদিত হয়নি। মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে শ্রমিকের চাহিদা ও অন্যান্য বিষয় নিশ্চিত হওয়ার পর পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে এর আগে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছিল উল্লেখ করে শ্রমমন্ত্রী বলেন, এবার এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে সরকার সতর্ক রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষিত শ্রমিক পাঠানোর ওপরই গুরুত্ব দেওয়া হবে।

Advertisement
Advertisement

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের পাশাপাশি দেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানান শ্রমমন্ত্রী। তিনি বলেন, চলতি বছরের মধ্যেই অনলাইন ও সরাসরি ডাটাবেস তৈরির মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় করা হবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে জব ফেয়ার এবং চলতি মাসের মধ্যে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।

ট্যাগ:

নরসিংদীর সাংবাদিকতার একসময়ের প্রাণভোমরা রানা আজ শয্যাশায়ী: ১২ বছরেও মেলেনি কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদান!

খলিলুর রহমান রানা
খলিলুর রহমান রানা Reporter প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬২০২৬, ৫:২৬ PM ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
নরসিংদীর সাংবাদিকতার একসময়ের প্রাণভোমরা রানা আজ শয্যাশায়ী: ১২ বছরেও মেলেনি কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদান!
ছবিঃ অসুস্থ সাংবাদিক এম এ সালাম রানা। পল্লী টিভি
Advertisement
Advertisement

খলিলুর রহমান রানাঃ

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে : ভারতীয় হাইকমিশনার

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে : ভারতীয় হাইকমিশনার

একসময়ে যিনি নরসিংদী সাংবাদিক জগতের প্রাণভোমরা হিসেবে পরিচিত ছিলেন, মাঠে ময়দানে ছুটে বেড়িয়েছেন খবরের সন্ধানে, আজ সেই কলমযোদ্ধা এম এ সালাম রানা ১২ বছর ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় শয্যাশায়ী এই মানুষটির জীবন কাটছে নিদারুণ কষ্টে।

অথচ দীর্ঘ এই সময়ে সরকারি সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে চারবার আবেদন করেও কপালে জোটেনি এক টাকাও অনুদান! উল্টো প্রশ্ন উঠেছে একজন অসহায় ও গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিকের আবেদনগুলো কি তবে দপ্তরে পৌঁছানোর আগেই রহস্যজনকভাবে আটকে গেছে?

খবরের পাতার মানুষটি আজ ঘরবন্দী

জাতীয় দৈনিক ‘আজকের কাগজ’ ও দৈনিক বণিক বার্তাসহ স্থানীয় একাধিক পত্রিকা এবং রেডিওতে দাপটের সঙ্গে কাজ করেছেন এম এ সালাম রানা। নরসিংদী প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থেকে তিনি সবসময় সহকর্মী ও সাধারণ মানুষের অধিকারের কথা বলেছেন।

কিন্তু ২০১৪ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই বদলে যায় তার জীবনের চিত্র। একে তো দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা, তার ওপর উপার্জনের একমাত্র পথ চিরতরে বন্ধ। বর্তমানে স্ত্রী ও দুই কন্যাসন্তানের সংসার চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিবারটিকে। নিয়মিত ওষুধ ও চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে বিক্রি করতে হয়েছে সর্বস্ব।

চারবার আবেদন, মেলেনি কোনো সহায়তা

পরিবারের তথ্যমতে, গত ১০ বছরে আর্থিক সহায়তার আশায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে মোট চারবার আবেদন করেছেন সালাম রানা। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, প্রতিবারই তার আবেদন ফাইলবন্দী হয়ে থেকে গেছে। অভিযোগ রয়েছে, তার করা কোনো আবেদনই নাকি শেষ পর্যন্ত ট্রাস্টের কার্যালয় পর্যন্ত পৌঁছায়নি! যেখানে একই জেলার অনেক তুলনামূলক সচ্ছল ও কম অসুস্থ ব্যক্তিরাও অনুদান পেয়েছেন, সেখানে এই অসহায় সাংবাদিকের আবেদন আলোর মুখ দেখেনি।

প্রশ্ন উঠেছে কোথায় আটকে গেল সালাম রানার আবেদনগুলো? কার উদাসীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় একজন অসুস্থ সাংবাদিক সরকারি সহায়তার অধিকার থেকে বঞ্চিত হলেন?

সাংবাদিক সমাজের ক্ষোভ ও আকুতি

সালাম রানার এই মানবেতর জীবনযাপন নাড়া দিয়েছে নরসিংদীর সচেতন মহল ও সাংবাদিক সমাজকে। তাদের মতে, একজন সাংবাদিক যখন সুস্থ থাকেন, তখন তিনি সমাজের অবহেলিত মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠেন। আর সেই মানুষটিই যখন আজ চরম দুর্দিনে, তখন তার পাশে দাঁড়ানো শুধু কল্যাণ ট্রাস্ট নয়, বরং পুরো সাংবাদিক সমাজের নৈতিক দায়িত্ব।

এ বিষয়ে সাংবাদিক এম এ সালাম রানা আক্ষেপ করে বলেন, আমি কোনো বিশেষ সুবিধা চাই না, একজন অসুস্থ ও কর্মহীন সাংবাদিক হিসেবে বেঁচে থাকার জন্য রাষ্ট্রের একটু সুনির্দিষ্ট সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।

জরুরি পদক্ষেপের দাবি একজন জীবন সায়াহ্নে থাকা কর্মক্ষমতাহীন সাংবাদিকের নথিপত্র কেন বারবার আটকে গেল তা অবিলম্বে তদন্ত করে দেখা উচিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে মাননীয় তথ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষে চাই বাংদেশ সাংবাদিক সমাজসহ সুশিল সমাজের ব্যাক্তিরা।

ট্যাগ: